রিমলেস চশমার ফ্রেম দাম ২০২৬: টাইটানিয়াম রিমলেস কেন সেরা?
ক্যাশ অন ডেলিভারি
সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি, হাতে পেয়ে দাম পরিশোধের সুবিধা
৭ দিনের রিটার্ন পলিসি
পছন্দ না হলে বা ফিটিং সমস্যা হলে ঝামেলাহীন পরিবর্তনের সুযোগ
নির্ভুল ডিজিটাল ল্যাব
আধুনিক প্রযুক্তিতে নিখুঁত পাওয়ার ফিটিং ও এজ পলিশিং
রিমলেস চশমার ফ্রেম দাম ২০২৬ — চশমার ফ্রেম কেনার সম্পূর্ণ গাইড
এমন একটা চশমা খুঁজছেন যা আপনার মুখের আসল অবয়ব ঢেকে দেবে না, আর পরার পর মনেই হবে না চোখে কিছু আছে? তাহলে রিমলেস চশমার ফ্রেম (Rimless Glasses Frame) হতে পারে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো সমাধান। এই ডিজাইনে লেন্সের চারপাশে আলাদা কোনো মেটাল বা প্লাস্টিকের বর্ডার থাকে না — শুধু দুই পাশের টেম্পল (বাহু) ও নাকের ব্রিজ দিয়ে লেন্স দুটোকে ড্রিল করে ধরে রাখা হয়। এই গাইডে আমরা রিমলেস চশমার ফ্রেমের দাম, সুবিধা, উপযুক্ত লেন্স বাছাইয়ের নিয়ম এবং দীর্ঘদিন ভালো রাখার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
📌 সূচিপত্র
- 💡 ১. রিমলেস চশমা কী ও এর বিবর্তন?
- ✔️ ২. রিমলেস চশমার ফ্রেম ব্যবহারের সুবিধা
- 👓 ৩. রিমলেস ফ্রেমের মেটেরিয়াল ও স্থায়িত্ব বিশ্লেষণ (প্রোডাক্ট সহ)
- 🎨 ৪. রিমলেস লেন্সের আকৃতি কাস্টমাইজেশন গাইড
- 🔬 ৫. রিমলেস ফ্রেমের জন্য সেরা লেন্স ও বৈজ্ঞানিক গাইডলাইন
- 🟢 ৫.১ Green Coated Bluecut লেন্স — রিমলেসের সাথে কেন সেরা মিল?
- 📊 ৬. ৪টি বিশদ তুলনামূলক টেবিল ও মূল্য তালিকা
- 🛠️ ৭. রিমলেস চশমার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও দীর্ঘস্থায়ী করার উপায়
- 👩🦰 ৮. মেয়েদের চশমা ও অন্যান্য ক্যাটাগরি
- ❓ ৯. সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. রিমলেস চশমা কী ও এর বিবর্তন?
রিমলেস চশমা — অনেকের কাছে যা ‘বর্ডারলেস’ বা ‘ফ্রেমহীন চশমা’ নামেও পরিচিত — ফ্যাশন জগতে একটি অত্যন্ত মার্জিত ও কালজয়ী ডিজাইন। ধারণা করা হয়, ফ্রেমহীন চশমার নকশা প্রথম দেখা যায় ঊনবিংশ শতকের শেষদিকে, তবে ২০২৬ সালে এসে এটিই এখন আধুনিক মিনিমালিস্ট ফ্যাশনের মূল প্রতীক। ফুল-রিম বা হাফ-রিম চশমার মতো এতে লেন্সের চারপাশে মেটাল বা প্লাস্টিকের কোনো বর্ডার থাকে না। লেন্সের দুই প্রান্তে সূক্ষ্মভাবে ছিদ্র বা ড্রিল করে স্ক্রু, প্লাস্টিক বুশিং বা বিশেষ ক্লিপের সাহায্যে নাকের ব্রিজ ও দুই পাশের টেম্পল আটকে দেওয়া হয়।
যারা চান এমন একটা চশমা যা চেহারার মূল গঠন বা চোখের সৌন্দর্যকে ভারী প্লাস্টিকের আড়ালে ঢেকে দেবে না, তাদের জন্য রিমলেস চশমা একদম মানানসই। কর্পোরেট প্রেজেন্টেশন, পাবলিক স্পিকিং বা ফরমাল মিটিংয়ে রিমলেস ফ্রেম একজন পরিধানকারীকে বেশ পেশাদার ও আত্মবিশ্বাসী লুক দেয়। নিচে আমাদের হাই-সেলিং রেগুলার রিমলেস ফ্রেম কালেকশন থেকে কিছু জনপ্রিয় মডেল দেওয়া হলো:
২. রিমলেস চশমার ফ্রেম ব্যবহারের সুবিধা
ভারী বা রঙিন ফ্রেমের চশমার তুলনায় রিমলেস চশমার বেশ কিছু নিজস্ব সুবিধা আছে, যা একে ব্যবহারকারীদের কাছে প্রথম পছন্দ করে তোলে:
- ফেদার-লাইট ওজন: লেন্সের চারপাশে কোনো ফ্রেম মেটেরিয়াল না থাকায় এই চশমাগুলো ওজনে বেশ হালকা হয়। সাধারণ মেটাল বা প্লাস্টিক চশমার তুলনায় এটি প্রায় ৩০-৫০% পর্যন্ত হালকা হতে পারে।
- নাক বা কানের পেছনে দাগ পড়ে না: ওজন কম হওয়ায় দীর্ঘ সময় পরে থাকলেও নাকে বা কানের পেছনের সংবেদনশীল ত্বকে চাপ পড়ে না, ফলে কালচে বা লালচে দাগও তৈরি হয় না।
- মুখের অবয়ব অক্ষত থাকে: অনেক সময় বড় ফ্রেমের চশমা পরলে মূল চেহারা ও চোখের সৌন্দর্য চাপা পড়ে যায়। রিমলেস চশমা মুখের গঠন আর চোখের প্রকাশকে পুরোপুরি উন্মুক্ত রাখে।
- বিস্তৃত দৃষ্টিসীমা: লেন্সের পাশে কোনো বর্ডার না থাকায় চোখ ডানে-বামে বা ওপরে-নিচে ঘোরানোর সময় দৃষ্টিতে কোনো বাধা পড়ে না। ড্রাইভিং বা দীর্ঘক্ষণ পড়াশোনার সময় এটা বেশ আরামদায়ক।
৩. রিমলেস ফ্রেমের মেটেরিয়াল ও স্থায়িত্ব বিশ্লেষণ
রিমলেস চশমার স্থায়িত্ব পুরোপুরি নির্ভর করে নাকের ব্রিজ ও বাহুতে ব্যবহৃত মেটাল বা প্লাস্টিক মেটেরিয়ালের গুণগত মানের ওপর। বাংলাদেশের বাজারে মূলত তিন ধরনের মেটেরিয়াল রিমলেস চশমায় সবচেয়ে বেশি দেখা যায়:
ক) পিউর ও বিটা টাইটানিয়াম রিমলেস ফ্রেম (Pure & Beta Titanium)
টাইটানিয়ামকে বলা যায় চশমা মেটেরিয়ালের রাজা। ওজনে অবিশ্বাস্য রকম হালকা (৮-১২ গ্রাম) হলেও এটি স্টেইনলেস স্টিলের চেয়ে বেশি মজবুত। বিটা-টাইটানিয়াম যথেষ্ট নমনীয় ও স্প্রিং-ইফেক্টযুক্ত হওয়ায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলেও সহজে ভাঙে না। পাশাপাশি এটি সম্পূর্ণ হাইপোঅ্যালার্জেনিক, অর্থাৎ সংবেদনশীল ত্বকে ঘাম বা অ্যালার্জির ঝুঁকি প্রায় নেই বললেই চলে।
খ) মেমোরি মেটাল ও ফ্লেক্সি রিমলেস ফ্রেম (Flex / Memory Metal)
যাদের লাইফস্টাইল একটু বেশি চঞ্চল বা অ্যাক্টিভ, তাদের জন্য ফ্লেক্সিবল রিমলেস ফ্রেম আদর্শ। নাকের ব্রিজ বা কানের ডান্ডি বাঁকা করলেও এগুলো ভেঙে যায় না, বরং নিজে থেকেই আগের গঠনে ফিরে আসে। ভুলবশত চশমার ওপর বসে পড়লেও ক্ষতির ঝুঁকি প্রায় শূন্য।
গ) স্টেইনলেস স্টিল ও অ্যালয় মেটাল রিমলেস ফ্রেম (Stainless Steel)
বাজেটের মধ্যে মজবুত চশমা খুঁজলে স্টেইনলেস স্টিল একটা চমৎকার অপশন। দেখতে চকচকে, ব্যবহারে টেকসই, আর প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য বেশ উপযোগী। এটি সহজে মরিচা ধরে না, আর স্প্রিং হিং থাকায় পরে বেশ আরামও পাওয়া যায়।
৪. রিমলেস লেন্সের আকৃতি কাস্টমাইজেশন গাইড
রিমলেস চশমার ফ্রেমের সবচেয়ে মজার দিক হলো — এর কোনো নির্দিষ্ট জ্যামিতিক বর্ডার নেই! মানে আপনি চাইলে যেকোনো রিমলেস ফ্রেম কিনে নিজের মুখের গঠন (Face Shape) অনুযায়ী লেন্সের আকৃতি সম্পূর্ণ কাস্টমাইজ করে কেটে নিতে পারেন। নিচে কয়েকটি জনপ্রিয় লেন্স শেপিং অপশন দেওয়া হলো:
- রাউন্ড ও ওভাল শেপ (Round/Oval): চৌকো মুখে (Square Face) কৌণিক ভাবটা কমিয়ে সফট লুক আনতে গোল বা ডিম্বাকৃতির লেন্স বেশ ভালো কাজ করে।
- রেকটাঙ্গুলার ও স্কয়ার শেপ (Rectangular/Square): গোল মুখে (Round Face) স্পষ্ট গঠন ও কৌণিক শার্পনেস আনতে চারকোনা লেন্স কাটাই সবচেয়ে উপযোগী।
- অ্যাভিয়েটর ও হেক্সাগোনাল (Aviator/Hexagonal): আধুনিক, বোল্ড ও ক্যাজুয়াল স্ট্রিট-ফ্যাশন লুকের জন্য হেক্সাগোনাল বা অ্যাভিয়েটর আকৃতির লেন্সও কেটে নেওয়া যায়।
OpticoBD-এর অটোমেটিক লেন্স কাটিং ও ডাবল-এজ পলিশড ডিজিটাল ল্যাব প্রযুক্তির সাহায্যে আমরা নিখুঁত ফিনিশিং দিয়ে আপনার পছন্দমতো যেকোনো লেন্স শেপ কাস্টম কেটে দিতে পারি।
৫. রিমলেস ফ্রেমের জন্য সেরা লেন্স ও বৈজ্ঞানিক গাইডলাইন
আমেরিকান অপটোমেট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (AOA) ও চক্ষু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, রিমলেস চশমার ফ্রেমের জন্য সাধারণ প্লাস্টিক লেন্স (CR-39) মোটেও উপযুক্ত নয়। যেহেতু লেন্সে সরাসরি ড্রিল করে স্ক্রু বসানো হয়, তাই সাধারণ লেন্স সামান্য আঘাতেই ড্রিল পয়েন্ট থেকে ফেটে বা ভেঙে যেতে পারে।
তাই রিমলেস ফ্রেমের দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য সবসময় ভাঙা-প্রতিরোধী, প্রসার্য শক্তিসম্পন্ন লেন্স বেছে নেওয়া উচিত। নিচে আমাদের রিমলেস-উপযোগী দুটি প্রধান লেন্স ভ্যারিয়েন্টের বিবরণ দেওয়া হলো:
১. অ্যান্টি ব্লু লেন্স (Anti-Blue Prescription Lens)
যারা সারাদিন কম্পিউটারে কাজ করেন, চোখের সুরক্ষায় এটাই প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত। এটি ক্ষতিকর ডিজিটাল নীল আলো ব্লক করার পাশাপাশি ডাবল-কোটিং ও অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ প্রোটেকশন দেয়। রিমলেস চশমায় ব্যবহারের জন্য এই লেন্সের MR-8 (1.60 Index) বা 1.67 Ultra-Thin ভ্যারিয়েন্ট বেছে নেওয়াই ভালো, কারণ এগুলো যথেষ্ট শক্ত, টেনশন-প্রতিরোধী এবং সহজে ফ্র্যাকচার হয় না।
২. অ্যান্টি গ্লেয়ার ও ফটোসান লেন্স (Anti-Glare / Photosun Combo)
রোদে বেরোলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কালো হয়ে যাওয়া, আবার ঘরে স্ক্রিনের কারণে চোখে চাপ পড়া — দুটো সমস্যা থেকে একসাথে বাঁচতে এই হাইব্রিড লেন্সটি বেশ সাশ্রয়ী সমাধান। রিমলেস চশমার খোলা কিনারা দিয়ে আলো এসে প্রতিফলন ঘটাতে পারে, তাই এই লেন্সের অ্যান্টি-গ্লেয়ার ডাবল কোটিং দৃষ্টিসীমাকে প্রায় প্রতিফলন-মুক্ত রাখে। রিমলেস চশমার জন্য এর হাই-ইনডেক্স ১.৬০ বা ১.৬৭ ভ্যারিয়েন্ট বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলো।
৫.১ Green Coated Bluecut – Single Vision Distance Lens: রিমলেসের সাথে কেন সবচেয়ে বেশি মানানসই?
যারা দূরের দৃষ্টি সংশোধনের পাশাপাশি সারাদিন স্ক্রিনের সামনে থাকেন — অফিসের কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা রাতে ড্রাইভিং — তাদের জন্য Green Coated Bluecut – Single Vision Distance Lens একটি চমৎকার ও বাজেট-বান্ধব চয়েস। মাত্র ৳৮০০ থেকে শুরু হওয়া এই লেন্সটি রিমলেস ফ্রেমের সাথে বেশ কয়েকটি বাস্তব সুবিধা এনে দেয়:
- ব্লুকাট টেকনোলজি: স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও LED লাইট থেকে আসা ক্ষতিকর হাই-এনার্জি ব্লু লাইট (HEV) ফিল্টার করে, ফলে দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন দেখলেও চোখে ক্লান্তি বা শুষ্কতা কম অনুভূত হয়।
- গ্রিন অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং: রিমলেস ফ্রেমে যেহেতু লেন্সের কিনারা খোলা থাকে, তাই সেখান দিয়ে আলো প্রতিফলিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এই লেন্সের মাল্টি-লেয়ার গ্রিন কোটিং সেই প্রতিফলন ও গ্লেয়ার (বিশেষ করে রাতে গাড়ির হেডলাইট থেকে) অনেকটাই কমিয়ে আনে, আর আলো বেশি স্বচ্ছভাবে চোখে পৌঁছায়।
- UV400 প্রোটেকশন: ক্ষতিকর UVA ও UVB রশ্মি সম্পূর্ণভাবে ব্লক করে, যা ঢাকার রোদ-বৃষ্টির আবহাওয়ায় প্রতিদিনের বাইরের চলাচলের জন্য জরুরি।
- স্ক্র্যাচ-রেজিস্ট্যান্ট হার্ড কোটিং: হাইড্রোফোবিক ও ডাস্ট-রিপেলেন্ট ফিনিশিং থাকায় লেন্স সহজে পরিষ্কার করা যায় আর দাগ পড়ার ঝুঁকিও কম — রিমলেস চশমার নিয়মিত যত্নের জন্য এটা বাড়তি সুবিধা।
- সিঙ্গেল ভিশন কারেকশন: পুরো লেন্স জুড়ে একই পাওয়ার থাকায় ড্রাইভিং, টিভি দেখা বা সাধারণ দূরদৃষ্টির জন্য নির্ভুল ও স্বচ্ছ ভিশন দেয়।
রিমলেস ফ্রেমে ড্রিল পয়েন্টে বাড়তি নিরাপত্তা ও পাতলা কিনারার জন্য 1.61 বা 1.67 ভ্যারিয়েন্ট বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি, বিশেষ করে যাদের পাওয়ার তুলনামূলক বেশি।
৬. ৪টি বিশদ তুলনামূলক টেবিল ও মূল্য তালিকা
রিমলেস চশমার ফ্রেমের মেটেরিয়াল ও এর জন্য উপযুক্ত লেন্সের টেকনিক্যাল দিকগুলো সহজে বুঝতে নিচে ৪টি বিস্তারিত ডাটা টেবিল দেওয়া হলো:
টেবিল ১: রিমলেস ফ্রেমের বিভিন্ন মেটেরিয়াল তুলনা (Materials Comparison)
| মেটেরিয়াল ধরণ | ওজন অনুপাত | নমনীয়তা (Flexibility) | ত্বকের অ্যালার্জি ঝুঁকি? |
|---|---|---|---|
| Pure Titanium (টাইটানিয়াম) | সবচেয়ে হালকা (৮-১০ গ্রাম) | মাঝারি ফ্লেক্সিবল | শতভাগ মুক্ত (Hypoallergenic) |
| Memory Metal / Alloy | খুবই হালকা (১২-১৫ গ্রাম) | ১০০% ফ্লেক্সিবল (ভাঙে না) | অত্যন্ত সামান্য বা নেই |
| Stainless Steel | মাঝারি (১৪-২০ গ্রাম) | কম ফ্লেক্সিবল | কিছুটা ঝুঁকি থাকতে পারে |
টেবিল ২: রিমলেসের জন্য লেন্স মেটেরিয়াল তুলনা (Rimless Lens Materials)
| লেন্স ধরণ | ভাঙা প্রতিরোধ শক্তি (Impact) | অপটিক্যাল ক্ল্যারিটি | রিমলেস ড্রিল পয়েন্ট সেফটি |
|---|---|---|---|
| MR-8 / Polycarbonate | অত্যন্ত বেশি (ভাঙা-প্রতিরোধী) | খুব ভালো (উচ্চ ক্ল্যারিটি) | ✅ ১০০% নিরাপদ ও ক্র্যাক-মুক্ত |
| Trivex (ট্রাইভেক্স) | অত্যন্ত বেশি (অগ্নি-প্রতিরোধী) | চমৎকার (সর্বোচ্চ ক্ল্যারিটি) | ✅ ১০০% নিরাপদ |
| Green Coated Bluecut (1.61/1.67) | বেশ ভালো (হাই-ইনডেক্স) | চমৎকার (গ্রিন AR কোটিং) | ✅ নিরাপদ (থিন ভ্যারিয়েন্টে) |
| Standard Plastic (CR-39) | কম (সহজে ভেঙে যায়) | ভালো | ❌ ঝুঁকিপূর্ণ (সহজে ক্র্যাক হয়) |
টেবিল ৩: রিমলেস চশমার ফ্রেম দাম বাংলাদেশ ২০২৬ (Categorywise)
| রিমলেস ফ্রেম ধরন | ব্যবহৃত মেটেরিয়াল | নূন্যতম দাম (৳) | সর্বোচ্চ দাম (৳) |
|---|---|---|---|
| বেসিক রিমলেস ফ্রেম | Stainless Steel / Standard Metal | ৳১,৫০০ | ৳৩,০০০ |
| ফ্লেক্সি রিমলেস ফ্রেম | Memory Metal / Alloy | ৳২,০০০ | ৳৫,০০০ |
| টাইটানিয়াম রিমলেস ফ্রেম | Pure / Beta Titanium | ৳৩,৫০০ | ৳১২,০০০ |
টেবিল ৪: OpticoBD বনাম সাধারণ অফলাইন শপ (Comparison Table)
| তুলনার বিষয় | OpticoBD.com | সাধারণ অফলাইন / লোকাল শপ |
|---|---|---|
| মূল্য স্বচ্ছতা | ফিক্সড প্রাইস, দরদাম করার ঝামেলা নেই। | কাস্টমারভেদে দাম বা কাস্টম ফিটিং ফি ভিন্ন হয়। |
| ডিজিটাল ল্যাব ফিটিং | আধুনিক ডাবল কোটিং অটো-কাটিং ও এজ পলিশিং। | ম্যানুয়াল হাতে পলিশ করায় অসম সেটিং হতে পারে। |
| রিটার্ন পলিসি | সহজ ও ফ্রি ৭ দিনের পরিবর্তন ও রিটার্ন সুবিধা। | বিক্রিত পণ্য ফেরত নেওয়া অসম্ভব বা সীমিত। |
| ডেলিভারি সময় | ঢাকায় ১-৩ কার্যদিবস, ঢাকার বাইরে ৩-৫ কার্যদিবস। | সরাসরি দোকানে গিয়ে সংগ্রহ করতে হয়। |
৭. রিমলেস চশমার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও দীর্ঘস্থায়ী করার উপায়
রিমলেস চশমা যতটা আভিজাত্যপূর্ণ, ব্যবহারে ততটাই একটু বাড়তি যত্ন দরকার। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ আপনার প্রিমিয়াম চশমাটিকে বছরের পর বছর নতুনের মতো রাখতে সাহায্য করবে:
- দুই হাত দিয়ে পরা ও খোলার অভ্যাস করুন: চশমা খোলা বা পরার সময় সবসময় দুই হাত ব্যবহার করুন। এক হাতে খুললে স্ক্রু জয়েন্টে অসম চাপ পড়ে, ফলে স্ক্রু বা প্লাস্টিক বুশিং ঢিলা হয়ে যেতে পারে।
- হার্ড কেসে সংরক্ষণ করুন: চোখ থেকে খুললে অবহেলা করে বিছানায় বা টেবিলে না রেখে সরাসরি একটি শক্ত বক্স বা হার্ড কেসে রাখুন।
- সঠিক উপায়ে লেন্স পরিষ্কার করুন: কাপড়ের কড়া ঘষা বা শার্টের কোণা দিয়ে লেন্স মুছবেন না, এতে ড্রিল পয়েন্টে চাপ পড়তে পারে। সবসময় মাইক্রোফাইবার কাপড় ও অপটিক্যাল লেন্স ক্লিনার ব্যবহার করুন।
৮. মেয়েদের ট্রেন্ডি চশমা ও সানগ্লাস কালেকশন
রিমলেস ফ্রেম ইউনিসেক্স হলেও অনেকে একটু গর্জিয়াস বা বর্ডার ফ্রেমের ক্যাট-আই, ওভাল বা রঙিন প্লাস্টিক চশমা বেশি পছন্দ করেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্যও চশমা খুঁজে থাকলে নিচে সরাসরি লেডিস ও সানগ্লাস কালেকশন পেজের লিংক দেওয়া হলো:
৯. সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ – বিশদ প্রশ্নোত্তর)
প্রশ্ন: রিমলেস চশমার ফ্রেম কি খুব দুর্বল ও ক্ষণস্থায়ী হয়?
উত্তর: এটা একটা বড় ভুল ধারণা। টাইটানিয়াম বা বিটা-টাইটানিয়াম মেটেরিয়ালের রিমলেস ফ্রেম বেছে নিলে তা যথেষ্ট শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে জয়েন্ট ফ্র্যাকচার এড়াতে সাধারণ প্লাস্টিক লেন্সের বদলে MR-8 বা হাই-টেনসিল লেন্স নির্বাচন করা জরুরি।
প্রশ্ন: রিমলেস ফ্রেমে কি সব ধরনের পাওয়ার লেন্স সেট করা সম্ভব?
উত্তর: হ্যাঁ, রিমলেস ফ্রেমে সব ধরনের পাওয়ার সেট করা যায়। তবে মাইনাস পাওয়ার -৪.০০ এর বেশি হলে সাধারণ লেন্সে চারপাশ বেশ মোটা দেখাবে। তাই উচ্চ পাওয়ারের ক্ষেত্রে পাতলা বা হাই-ইনডেক্স (1.60 বা 1.67) লেন্স ব্যবহার করাই ভালো।
প্রশ্ন: রিমলেস চশমার ফ্রেমের দাম কি সাধারণ ফ্রেমের চেয়ে বেশি?
উত্তর: সাধারণ প্লাস্টিক ফ্রেমের তুলনায় রিমলেস ফ্রেম তৈরিতে সূক্ষ্ম প্রযুক্তি ও প্রিমিয়াম মেটাল বা টাইটানিয়াম ব্যবহৃত হয় বলে দাম কিছুটা বেশি হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি বেশ সাশ্রয়ী। OpticoBD-তে মানসম্মত রিমলেস চশমার ফ্রেম কালেকশন শুরু হয় মাত্র ৳১,৫০০ থেকে।
প্রশ্ন: চশমা হাতে পাওয়ার পর সাইজ বা ফিটিং সমস্যা হলে পরিবর্তনের সুযোগ আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, OpticoBD-তে গ্রাহকদের জন্য সহজ ও ফ্রি ৭ দিনের রিটার্ন ও পরিবর্তন পলিসি রয়েছে। লেন্স বা ফ্রেমের সাইজে সমস্যা হলে কোনো বাড়তি চার্জ ছাড়াই ৭ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ ফ্রিতে পরিবর্তন করে দেওয়া হবে।
প্রশ্ন: রিমলেস চশমার লেন্সের আকার কি কাস্টমাইজ করা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, রিমলেস ফ্রেমের সবচেয়ে বড় সুবিধাই হলো এটি বর্ডারহীন হওয়ায় লেন্সের শেপ সম্পূর্ণ নিজের মতো কাস্টমাইজ করা যায়। আমরা গোল, চারকোনা, ওভাল বা হেক্সাগোনাল যেকোনো আকৃতির লেন্স নিখুঁত পলিশিং করে সেটআপ করে দিই।
প্রশ্ন: রিমলেস চশমার জন্য Green Coated Bluecut লেন্স কেন ভালো পছন্দ?
উত্তর: এই লেন্সে একসাথে ব্লুকাট প্রোটেকশন (স্ক্রিন থেকে আসা ক্ষতিকর নীল আলো ফিল্টার), গ্রিন অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং (গ্লেয়ার কমায়), UV400 প্রোটেকশন এবং স্ক্র্যাচ-রেজিস্ট্যান্ট হার্ড কোটিং একসাথে পাওয়া যায় — যা রিমলেস ফ্রেমের খোলা কিনারার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। দাম শুরু ৳৮০০ থেকে, আর 1.61 বা 1.67 ইনডেক্স বেছে নিলে রিমলেস ড্রিল পয়েন্টে বাড়তি নিরাপত্তাও পাওয়া যায়।
প্রশ্ন: OpticoBD থেকে চশমা অর্ডার করলে ডেলিভারি পেতে কত সময় লাগে?
উত্তর: ঢাকার ভেতরে সাধারণত ১-৩ কার্যদিবস এবং ঢাকার বাইরে ৩-৫ কার্যদিবসের মধ্যে অর্ডার পৌঁছে যায়। প্রতিটি পাওয়ার লেন্স ডেলিভারির আগে চূড়ান্ত কোয়ালিটি চেক করা হয়।
